ক্রিকেটের নিয়ম দুটি স্তরে কাজ করে, আর এই দুই স্তরের পার্থক্যই মাঠের অনেক ঘটনার ব্যাখ্যা দেয়। এই লেখায় MCW আমরা ক্রিকেটের আইন, প্লেয়িং কন্ডিশন, আউটের ধরন, আম্পায়ারিং, DRS এবং ফরম্যাটভিত্তিক নিয়মগুলো সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করব।
ভিত্তির স্তর হলো Laws of Cricket, যার রক্ষক Marylebone Cricket Club (MCC), আর অষ্টাদশ শতকের শেষভাগ থেকে MCC এই দায়িত্ব পালন করছে। বর্তমান কাঠামো ২০১৭ সালের কোড, পরে যার সংশোধিত সংস্করণ এসেছে, বিশেষ করে ২০১৯ ও ২০২২ সালে।
দ্বিতীয় স্তর প্লেয়িং কন্ডিশন। টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকের জন্য এগুলো জারি করে International Cricket Council (ICC), আর Bangladesh Premier League-এর মতো প্রতিযোগিতার জন্য ঘরোয়া বোর্ড নিজস্ব কন্ডিশন প্রকাশ করে। প্লেয়িং কন্ডিশন আইনকে গ্রহণ করে, তারপর ফিল্ডিং বিধিনিষেধ, রিভিউ সিস্টেম ও টাই-ব্রেকারের মতো নির্দিষ্ট বিষয় প্রতিটি ফরম্যাটের জন্য বদলে নেয়।

মাঠ ও সরঞ্জাম নিয়ে ক্রিকেটের নিয়ম
পিচ দুই সেট স্টাম্পের মাঝে ২২ গজ (২০.১২ মিটার) লম্বা ও ১০ ফুট চওড়া একটি আয়তক্ষেত্র। প্রতিটি উইকেটে ২৮ ইঞ্চি উঁচু তিনটি স্টাম্প আর ওপরে দুটি বেইল থাকে, তিন স্টাম্পের মোট প্রস্থ ৯ ইঞ্চি। ব্যাটারের নিরাপদ এলাকা চিহ্নিত করা পপিং ক্রিজ প্রতিটি প্রান্তে বোলিং ক্রিজের চার ফুট সামনে থাকে।
পিচের বাইরের খেলার এলাকা দড়ি বা বেড়া দিয়ে ঘেরা, আর এর আকার আইনে নয়, প্লেয়িং কন্ডিশনে নির্ধারিত। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে সাধারণত পিচ থেকে ৩০ গজ দূরে একটি ভেতরের বৃত্তও আঁকা হয়, যা ফিল্ডিং বিধিনিষেধ কার্যকর করতে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাট, বল ও পোশাক
আইন ব্যাটের দৈর্ঘ্য ৩৮ ইঞ্চি ও প্রস্থ ৪.২৫ ইঞ্চিতে সীমিত রাখে। ক্রমেই মোটা হতে থাকা ব্যাট ঠেকাতে ২০১৭ সালে ব্লেডের গভীরতা ও কিনারার পুরুত্বেও সীমা আনা হয়। পুরুষদের বলের ওজন ৫.৫ থেকে ৫.৭৫ আউন্স, আর নারী ও জুনিয়র ক্রিকেটের জন্য আলাদা মাপ আছে।
হেলমেট, প্যাড ও গ্লাভসের মতো সুরক্ষা সরঞ্জাম অনুমোদিত, আর ফিল্ডারদের মধ্যে কেবল উইকেটকিপারই গ্লাভস পরতে পারেন। ICC-র একটি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পর ২০২২ সাল থেকে বলে লালা লাগানো আইনে অন্যায্য খেলা হিসেবে গণ্য।

ওভার, ইনিংস ও টস
এক ওভার মানে এক প্রান্ত থেকে ছয়টি বৈধ ডেলিভারি, এরপর পরের ওভার অন্য প্রান্ত থেকে ভিন্ন বোলার করেন। কোনো বোলার পরপর দুই ওভার করতে পারেন না। ওয়াইড ও নো-বল ছয়টির মধ্যে গোনা হয় না, তাই এক ওভারে মোট ছয়টির বেশি ডেলিভারি থাকতে পারে।
খেলার আগে দুই অধিনায়ক টস করেন, আর বিজয়ী আগে ব্যাট বা বল করার সিদ্ধান্ত নেন। কোনো দলের ইনিংস শেষ হয় দশজন ব্যাটার আউট হলে, বরাদ্দ ওভার শেষ হলে, অধিনায়ক ডিক্লেয়ার করলে, অথবা শেষ ইনিংসে লক্ষ্য পূরণ হলে।

রান যেভাবে হয়
দুই ব্যাটার একে অপরকে পার হয়ে বিপরীত প্রান্তে পৌঁছালে, অথবা বল সীমানায় পাঠালে রান হয়। মাটি ছুঁয়ে সীমানা পেরোলে চার, আর সরাসরি সীমানা পার হলে ছয়। ঘোরার সময় ব্যাটার ব্যাট বা শরীর ক্রিজের পেছনে না ছোঁয়ালে সেটি শর্ট রান, গোনা হয় না।
পেনাল্টি রান সাধারণত পাঁচটি করে দেওয়া হয়, যেমন ফিল্ডার ইচ্ছাকৃতভাবে অবৈধ উপায়ে বল থামালে, কিপারের পেছনে মাটিতে রাখা হেলমেটে বল লাগলে বা অন্যায্য খেলার ক্ষেত্রে। এই ক্রিকেটের নিয়ম ন্যায্য ও অন্যায্য খেলা সংক্রান্ত আইনের অংশ, যেখানে সময় নষ্ট ও পিচের ক্ষতির বিষয়ও আছে।
এক্সট্রা ও তার হিসাব
এক্সট্রা হলো সেই রান, যা কোনো ব্যাটারের নামে যায় না। নো-বলে ব্যাটিং দল এক রান পায়, সঙ্গে ওই বল থেকে নেওয়া রান। ওয়াইডেও এক রান, সঙ্গে বাড়তি রান। বল ব্যাট বা শরীর না ছুঁয়ে চলে গেলে নেওয়া রান বাই, আর বল খেলার বা এড়ানোর প্রকৃত চেষ্টার সময় শরীরে লেগে নেওয়া রান লেগ বাই।
কিছু ঘরোয়া প্লেয়িং কন্ডিশনে নো-বলে এক নয়, দুই রান দেওয়া হয়। বোলারের হিসাবে যোগ হয় কেবল নো-বল ও ওয়াইড, বাই ও লেগ বাই নয়।

ব্যাটার আউট হওয়ার দশটি উপায়
আইন দশ ধরনের আউট স্বীকার করে। পাঁচটির কৃতিত্ব বোলারের, এগুলো হলো বোল্ড, কট, লেগ বিফোর উইকেট (LBW), স্টাম্পড ও হিট উইকেট। বাকিগুলো রান আউট, দুবার বল মারা, ফিল্ডিংয়ে বাধা, টাইমড আউট ও রিটায়ার্ড আউট। একসময় আলাদা পদ্ধতি থাকা হ্যান্ডেলড দ্য বল ২০১৭ সালের কোডে ফিল্ডিংয়ে বাধার মধ্যে ঢুকে যায়।
দশটির মধ্যে LBW সবচেয়ে প্রযুক্তিগত। মোটা দাগে বলটি লেগ স্টাম্পের বাইরে পিচ করতে পারবে না, স্টাম্পের লাইনে ব্যাটারের গায়ে লাগতে হবে (শট না খেললে অফ স্টাম্পের বাইরেও গণ্য), এবং বলটি উইকেটে লাগত বলে বিবেচিত হতে হবে। স্টাম্পিং নিয়ে ক্রিকেটের নিয়ম বলে, উইকেটকিপার উইকেট ভাঙার সময় ব্যাটারকে ক্রিজের বাইরে থাকতে হবে এবং তিনি রান নেওয়ার চেষ্টায় থাকবেন না।
কম দেখা আউট
আগের আউটের পর আইনের অধীনে তিন মিনিটের মধ্যে নতুন ব্যাটার খেলার জন্য প্রস্তুত না হলে টাইমড আউট হয়, আর কিছু ICC প্লেয়িং কন্ডিশনে এই সীমা দুই মিনিট। আঘাত বা অসুস্থতা ছাড়া অন্য কারণে আম্পায়ারের সম্মতি ছাড়া মাঠ ছেড়ে আর না ফেরা ব্যাটার রিটায়ার্ড আউট।
২০২২ সালের সংশোধনের পর বল ছাড়ার আগে ক্রিজ ছাড়া নন-স্ট্রাইকারকে রান আউট করা অন্যায্য খেলার অংশ থেকে সরিয়ে রান আউটের আইনে আনা হয়েছে। একই সংশোধনে ঠিক হয়, ক্যাচ আউটের পর ব্যাটাররা ক্রস করুক বা না করুক, নতুন ব্যাটার আসবেন স্ট্রাইকারের প্রান্তে।

আম্পায়ার, কর্মকর্তা ও DRS
দুজন অন-ফিল্ড আম্পায়ার ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করেন, একজন বোলারের প্রান্তে আর একজন স্কয়ার লেগে, এবং প্রতি ওভারে তাঁরা জায়গা বদলান। আন্তর্জাতিক ও অনেক পেশাদার ম্যাচে যোগ হন ভিডিও রিপ্লের তৃতীয় আম্পায়ার, ব্যবস্থাপনার চতুর্থ আম্পায়ার এবং আচরণবিধি দেখভাল করা ম্যাচ রেফারি।
Decision Review System একটি দলকে অল্প সময়ের মধ্যে সংকেত দিয়ে অন-ফিল্ড সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ দেয়। এরপর তৃতীয় আম্পায়ার বল-ট্র্যাকিং, এজ ডিটেকশন ও রিপ্লে পর্যালোচনা করেন। প্রতি ইনিংসে প্রতিটি দলের ব্যর্থ রিভিউয়ের সংখ্যা সীমিত, আর প্রতিটি ফরম্যাটে সেই সংখ্যা ঠিক করে ICC প্লেয়িং কন্ডিশন।
আম্পায়ার্স কল
বল-ট্র্যাকিং যখন প্রান্তিক ফল দেখায়, যেমন বল কেবল স্টাম্প ছুঁয়ে যাচ্ছে বা লাইনের কিনারায় প্যাডে লাগছে, তখন মূল অন-ফিল্ড সিদ্ধান্তই বহাল থাকে। এই “আম্পায়ার্স কল” ফলে রিভিউকারী দল রিভিউ হারায় না।
তাই DRS সংক্রান্ত ক্রিকেটের নিয়ম অন-ফিল্ড আম্পায়ারের ওপর আস্থার একটি পরিসর রেখে দেয়। প্রযুক্তি কাছাকাছি সিদ্ধান্ত নয়, স্পষ্ট ভুল দেখালেই কেবল সিদ্ধান্ত বদলায়।

নো-বল ও ফ্রি হিট
নো-বল সবচেয়ে বেশি ডাকা হয় যখন বোলারের সামনের পায়ের কোনো অংশ পপিং ক্রিজের পেছনে থাকে না। অন্যান্য কারণের মধ্যে আছে পেছনের পা রিটার্ন ক্রিজ ছুঁয়ে ফেলা, কোমরের ওপরে ফুল টস, সীমিত ওভারে বৃত্তের বাইরে অতিরিক্ত ফিল্ডার, অথবা লেগ সাইডে স্কয়ারের পেছনে দুজনের বেশি ফিল্ডার।
ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে যেকোনো নো-বলের পরের ডেলিভারি ফ্রি হিট। সেই বলে ব্যাটার বোল্ড, কট, LBW, স্টাম্পড বা হিট উইকেট হন না, কেবল নো-বলেও প্রযোজ্য উপায়ে, যেমন রান আউটে, আউট হতে পারেন। স্ট্রাইকে থাকা ব্যাটার না বদলালে ফিল্ডিং পরিবর্তনও সীমিত থাকে।

ফলো-অন ও ডিক্লারেশন
একাধিক ইনিংসের ক্রিকেটে প্রথমে ব্যাট করা দল বড় লিড পেলে ফলো-অন চাপিয়ে প্রতিপক্ষকে সঙ্গে সঙ্গে আবার ব্যাট করাতে পারে। পাঁচ বা তার বেশি দিনের ম্যাচে যোগ্য লিড ২০০ রান, তিন বা চার দিনের ম্যাচে ১৫০, দুই দিনের ম্যাচে ১০০ এবং এক দিনের ম্যাচে ৭৫। ফলো-অন চাপানো ঐচ্ছিক।
বল ডেড থাকা অবস্থায় অধিনায়ক যেকোনো সময় ইনিংস ডিক্লেয়ার করতে পারেন, এমনকি পুরো ইনিংস ছেড়েও দিতে পারেন। প্রতিপক্ষকে অলআউট করার মতো সময় হাতে রাখার কৌশলগত হাতিয়ার এই ডিক্লারেশন, আর টেস্টের শেষ পর্যায় কীভাবে গড়ে ওঠে তাতে এই ক্রিকেটের নিয়ম কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখে।

ফরম্যাটভিত্তিক প্লেয়িং কন্ডিশন
টেস্ট ক্রিকেট সর্বোচ্চ পাঁচ দিনের, প্রতি ইনিংসে ওভারের কোনো সীমা নেই, আর ICC প্লেয়িং কন্ডিশন অনুযায়ী দিনে অন্তত ৯০ ওভার। ওয়ানডেতে প্রতি দল ৫০ ওভার পায়, একজন বোলার সর্বোচ্চ ১০ ওভার, আর তিনটি পাওয়ারপ্লে পর্বে ভেতরের বৃত্তের বাইরে কতজন ফিল্ডার থাকবেন তা সীমিত।
টি-টোয়েন্টিতে প্রতি দল ২০ ওভার, বোলারপ্রতি চার ওভারের সীমা এবং প্রতি ইনিংসের শুরুতে ছয় ওভারের পাওয়ারপ্লে। সাদা বলের আন্তর্জাতিকে ICC ওভারের মাঝে স্টপ ক্লকও চালু করেছে, আর বারবার লঙ্ঘনে রান পেনাল্টি হয়।

সুপার ওভার টাই-ব্রেক
সুপার ওভারের প্লেয়িং কন্ডিশনে চলা সীমিত ওভারের ম্যাচ টাই হলে প্রতিটি দল এক ওভার ব্যাট করে, আর দুই উইকেট পড়লে ইনিংস শেষ। বর্তমান ICC কন্ডিশনে সুপার ওভারও টাই হলে বিজয়ী না পাওয়া পর্যন্ত আরও সুপার ওভার হয়, যা আগের বাউন্ডারি গণনার টাই-ব্রেকের জায়গা নিয়েছে।
সুপার ওভারে ব্যাটিং দল তিনজন ব্যাটার আর ফিল্ডিং দল একজন বোলার মনোনীত করে, আর ম্যাচে পরে ব্যাট করা দল সাধারণত সুপার ওভারে আগে ব্যাট করে। টাই হওয়া ম্যাচ আদৌ সুপার ওভারে গড়াবে কি না তা প্রতিযোগিতার ওপর নির্ভর করে, কারণ কিছু কন্ডিশনে টাই-ই চূড়ান্ত ফল।
বৃষ্টি ও DLS পদ্ধতি
আবহাওয়ার কারণে সীমিত ওভারের ম্যাচ ছোট হলে Duckworth-Lewis-Stern (DLS) পদ্ধতি সংশোধিত লক্ষ্য ঠিক করে। বাকি ওভার ও হাতে থাকা উইকেটকে মিলিয়ে ব্যাটিংয়ের “রিসোর্স” ধরা হয়, আর প্রতিটি দলের রিসোর্স অনুযায়ী লক্ষ্য বাড়ানো বা কমানো হয়। ফলাফলের জন্য ন্যূনতম ওভার খেলা সম্ভব হতে হয়, সাধারণত ওয়ানডেতে প্রতি দল ২০ ও টি-টোয়েন্টিতে পাঁচ ওভার।
বিঘ্ন নিয়ে ক্রিকেটের নিয়ম কিছু টুর্নামেন্টে রিজার্ভ ডে এবং ফলাফল ছাড়া পরিত্যক্ত ম্যাচের বিষয়ও ঢেকে রাখে, যা প্রতিযোগিতার বিধিমালা ঠিক করে।

ক্রিকেটের নিয়ম ও বেটিং সেটেলমেন্ট
স্পোর্টসবুকের মার্কেট সেটেল হয় সংশ্লিষ্ট প্লেয়িং কন্ডিশনের অধীনে আসা অফিসিয়াল ফল অনুযায়ী। তাই নির্দিষ্ট ম্যাচে প্রযোজ্য ক্রিকেটের নিয়ম, যেমন DLS সংশোধন বা সুপার ওভার, কিছু মার্কেটের গ্রেডিংয়ে প্রভাব ফেলতে পারে। আমাদের MCW Casino-এর স্পোর্টসবুক রুলস পেজে প্রতিটি ক্রিকেট মার্কেট এসব পরিস্থিতি কীভাবে সামলায় তা লেখা আছে।
প্ল্যাটফর্মে স্পোর্টস বেটিং কেবল ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য, যেখানে দেশের আইন অনুমতি দেয়। প্রতিটি অ্যাকাউন্টে খরচের সীমা ও সেলফ-এক্সক্লুশন যুক্ত।

আইন ও তার প্রয়োগের সারসংক্ষেপ
ক্রিকেটের নিয়ম হলো MCC-র আইনের স্থির কেন্দ্র এবং ফরম্যাটভিত্তিক প্লেয়িং কন্ডিশনের সমন্বয়, যা ICC ও ঘরোয়া বোর্ড সময়ের সঙ্গে বদলায়। আইন মাঠ, সরঞ্জাম, ওভার, রান, এক্সট্রা ও দশ ধরনের আউট নির্ধারণ করে, আর প্লেয়িং কন্ডিশন চালায় DRS, পাওয়ারপ্লে, ফ্রি হিট, সুপার ওভার ও বৃষ্টির নিয়ম।
MCW Casino-তে টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া লিগের কভারেজ এই ভিন্ন কাঠামোগুলোকে প্রতিফলিত করে, আর অফিসিয়াল ম্যাচে যে ক্রিকেটের নিয়ম প্রযোজ্য ছিল সেটিই মার্কেট সেটেলমেন্টের ভিত্তি। যেকোনো নির্দিষ্ট প্রতিযোগিতায় প্রকাশিত প্লেয়িং কন্ডিশনই সেখানে ক্রিকেটের নিয়ম কীভাবে চলে তার চূড়ান্ত সূত্র।

CEO Samia Nawrin, featured as CEO of MCW Casino, and explore the brand’s online casino entertainment, slot games, live casino experiences, and sports betting in Bangladesh.
Contact information :
Website: https://mmcwcasino.markets/
Address: House 15, Road 6, Agrabad, Chattogram 4100
Phone: +880 1837 452691
Gmail: mmcwcasinomarkets@gmail.com
#MCWBDGaming #MCWOnlinePlay #MCWFunZone #MCWGameWorld #MCWPlayOnline #MCWEntertainment #MCWDigitalGaming #MCWVirtualFun #MCWPlayerHub #MCWGameZone #MCWOnlineExperience #MCWPlayArena #MCWLeisureTime #MCWGamingLife #MCWDiscoverFun
