CEO Samia Nawrin, স্কোরবুক থেকে সাইটের নেতৃত্বে
CEO Samia Nawrin আমাদের বাংলাদেশমুখী সাইটের শীর্ষ কর্তা, একজন স্ট্যাটিসটিশিয়ান এবং সাবেক ক্রিকেট স্কোরার। এই লেখায় MCW টিমের পক্ষ থেকে আমরা তাঁকে সংক্ষেপে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি। সামিয়ার কাজের মূল কথা একটাই, তথ্য ঠিক হতে হবে।
আমাদের টিম তাঁকে চেনে মাঠের ধারের মানুষ হিসেবে। বহু বছর তিনি বল গুনেছেন, রান টুকেছেন, উইকেট পড়ার সময় লিখে রেখেছেন। সেই অভ্যাস এখন সাইটের প্রতিটি ক্রিকেট পাতায় চোখে পড়ে।

CEO Samia Nawrin কে, কোথা থেকে এসেছেন
পুরো নাম সামিয়া নাওরিন। এই সাইটের সার্বিক দায়িত্ব তাঁর কাঁধে। ক্রিকেট কভারেজ, মার্কেটের ব্যাখ্যা আর ম্যাচ ডেটা, এই তিন বিভাগের শেষ সিদ্ধান্ত তিনিই নেন।
অফিসে তিনি কম কথা বলেন। প্রশ্ন করেন বেশি। কোনো সংখ্যা সামনে এলে প্রথমেই জানতে চান সেটির উৎস কী।
রংপুরে বেড়ে ওঠা
সামিয়ার শৈশব কেটেছে রংপুর শহরে। বাড়ির পাশেই ছিল একটি খোলা মাঠ। বিকেল হলে পাড়ার ছেলেমেয়েরা সেখানে টেপ টেনিস বলে ক্রিকেট খেলত।
সামিয়া ব্যাট ধরতেন কম। তিনি খাতা নিয়ে বসতেন আর সবার রান লিখতেন। ঝগড়া বাধলে সবাই তাঁর খাতার দিকেই তাকাত। সেখান থেকেই পাড়ায় তাঁর ডাকনাম হয়ে যায় “খাতাওয়ালি”।
শীতের ছুটিতে তিনি নানাবাড়ির উঠানে বসে রেডিওতে টেস্ট ম্যাচের ধারাভাষ্য শুনতেন। ধারাভাষ্যকার রান বললেই তিনি খাতায় দাগ টানতেন। দিনের শেষে নিজের হিসাব আর রেডিওর ঘোষণা মিলে গেলে তাঁর আনন্দের সীমা থাকত না।

স্ট্যাটিসটিক্সের ছাত্রী, দুই ভাষার মানুষ
উচ্চশিক্ষায় তাঁর বিষয় ছিল স্ট্যাটিসটিক্স। গড়, বিচ্যুতি আর নমুনা নিয়ে কাজ করতে তাঁর ভালো লাগত। ক্লাসের অনুশীলনী তিনি প্রায়ই মাঠের স্কোরশিট দিয়ে বানাতেন।
মায়ের ভাষা বাংলা। ইংরেজিতেও তিনি সাবলীল, বিশেষ করে ম্যাচ রিপোর্ট আর খেলার আইনের দলিল পড়ার সময়। অবসরে পুরোনো টেস্ট ম্যাচের স্কোরশিট জমান। রংপুরের হাড়িভাঙা আমের মৌসুমে টিমের জন্য এক ঝুড়ি আম আনা তাঁর বাঁধা রীতি।
স্কোরবুক আর রঙিন পেন্সিল
তাঁর ডেস্কে আজও হাতে লেখা স্কোরবুক থাকে। পাশে থাকে এক বাক্স রঙিন পেন্সিল। চার হলে নীল, ছয় হলে সবুজ, উইকেট হলে লাল, এই নিয়ম জেলা লিগের দিন থেকেই চলছে।
বড় ম্যাচের দিন CEO Samia Nawrin টিভির সামনে খাতা খুলে বসেন। “স্ক্রিনের সংখ্যা ভুল হতে পারে, নিজের হাতে লেখা বল ভুল হয় না,” তিনি একবার আমাদের বলেছিলেন। খেলা শেষে সেই খাতার সঙ্গে সাইটের ডেটা মেলানো হয়।

CEO Samia Nawrin পর্যন্ত বার্তা পৌঁছানোর পথ
পাঠক, অংশীদার ও সাংবাদিকদের বার্তা শুধু সাইটের অফিশিয়াল মাধ্যমেই তাঁর কাছে আসে। বাইরের কোনো অ্যাকাউন্ট বা নম্বর এই কাজে ব্যবহার হয় না।
এই নিয়ম নিরাপত্তার স্বার্থে। আমাদের টিম কখনো লগইন পাসওয়ার্ড বা গোপন তথ্য চায় না।
কন্টাক্ট ফর্ম আর চ্যাট সাপোর্ট
সাধারণ প্রশ্নের জন্য সাইটে একটি অফিশিয়াল কন্টাক্ট ফর্ম রয়েছে। ফর্মের বার্তা সংশ্লিষ্ট বিভাগে চলে যায়। ক্রিকেট মার্কেট বা সেটেলমেন্ট সংক্রান্ত প্রশ্ন হলে সেটি তাঁর টেবিলেও ওঠে।
তাৎক্ষণিক উত্তরের জন্য সারাক্ষণ লাইভ চ্যাট খোলা থাকে। চ্যাটের কর্মীদের তিনি নিজে সেটেলমেন্টের খুঁটিনাটি শিখিয়েছেন। বৃষ্টিতে খেলা থামলে কী হয়, সুপার ওভারে কী হয়, এসব প্রশ্নের উত্তর তাদের ঠোঁটস্থ।

সিইও অফিসের ইমেইল
ব্যবসায়িক প্রস্তাব, পরামর্শ বা গুরুতর অভিযোগের জন্য অফিশিয়াল ঠিকানা ceo@mmcwcasino.markets। এই ইনবক্স তাঁর অফিস নিয়মিত দেখে।
ম্যাচ ডেটায় ভুল ধরা পড়লে সেই ইমেইল আলাদা গুরুত্ব পায়। CEO Samia Nawrin এমন প্রতিটি বার্তা নিজে পড়েন। সংশোধন শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি খোঁজ রাখেন।

স্কোরারের টেবিল থেকে CEO Samia Nawrin-এর পথচলা
এই সাইটের গল্প শুরু হয়েছে জেলা ক্রিকেট লিগের প্যাভিলিয়নে। আন্তর্জাতিক মেগা ক্যাসিনো ওয়ার্ল্ড কোম্পানির জন্ম তাঁর হাতে নয়। CEO Samia Nawrin গড়েছেন এর বাংলাদেশি সংস্করণটি, আর এখন সেটিরই হাল ধরে আছেন।
তাঁর পথ সোজা ছিল না। স্কোরার, স্ট্যাটিসটিশিয়ান, তারপর সাইটের প্রধান, প্রতিটি ধাপ থেকে তিনি একটি করে শিক্ষা বয়ে এনেছেন।
জেলা লিগের অফিশিয়াল স্কোরার
পড়া শেষ হওয়ার পর তিনি জেলা পর্যায়ের ক্রিকেট লিগে অফিশিয়াল স্কোরারের কাজ নেন। রোদ, ধুলো আর টিনের ছাউনির নিচে বসে তিনি সারা দিনের খেলা লিখে রাখতেন।
পরে তিনি একাধিক লিগের স্ট্যাটিসটিশিয়ান হন। খেলোয়াড়দের গড়, স্ট্রাইক রেট আর মৌসুমের রেকর্ড তাঁর হাতেই হিসাব হতো। কোনো সংখ্যা নিয়ে খটকা লাগলে আম্পায়ার আর ক্লাব কর্তারা তাঁর কাছেই আসতেন।
এক মৌসুমে দুই ক্লাবের মধ্যে একটি ম্যাচের ফল নিয়ে বিরোধ বাধে। দুই পক্ষের স্কোরশিটে রান আলাদা ছিল। সামিয়া বল ধরে ধরে পুরো ইনিংস আবার সাজান, আর অমিলটা খুঁজে পান একটি ভুলে যাওয়া লেগ বাইয়ে।

অনলাইনে ভুল তথ্যের সমস্যা
সেই সময় তিনি একটা বিষয় খেয়াল করেন। অনলাইনে ম্যাচের যে তথ্য ছড়াত, তার অনেকটাই ছিল ভুল বা অসম্পূর্ণ। বাংলায় ক্রিকেট মার্কেটের নিয়ম বোঝানোর মতো ভালো লেখা প্রায় ছিলই না।
“একটা ভুল রান পুরো হিসাব বদলে দেয়,” CEO Samia Nawrin বলেন। এই কথাটাই পরে আমাদের সম্পাদকীয় নীতির প্রথম লাইন হয়ে ওঠে।
দেশীয় সাইটের দায়িত্ব
বাংলাদেশমুখী MCW সাইট গড়ার সুযোগ এলে তিনি পরিকল্পনা সাজান স্কোরবুকের ঢঙে। প্রতিটি কাজের পাশে একজন দায়িত্বশীল সহকর্মী, শেষ তারিখ আর যাচাইয়ের একটি ঘর থাকত।
প্রথম টিম বাছাইয়ে তিনি একটি পুরোনো লিগ ম্যাচের স্কোরশিট হাতে দিতেন। প্রার্থীকে সেখান থেকে তিনটি ভুল খুঁজে বের করতে হতো। যাঁরা পেরেছিলেন, তাঁদের কয়েকজন আজও ক্রিকেট ডেস্কে কাজ করছেন।

CEO Samia Nawrin-এর নেতৃত্বে অর্জন
আমরা বড় দাবি করি না। এই অংশে কোনো পুরস্কার বা সংখ্যার ফিরিস্তি নেই। এখানে কেবল সেই বদলগুলোর কথা, যা সাইটের পাতায় স্পষ্ট।
বেশিরভাগ কাজই নীরব। ডেটা মেলানো, শব্দ বদলানো, খেলার আইনের ব্যাখ্যা আরও পরিষ্কার করা।
বিপিএল ও আন্তর্জাতিক সিরিজের যত্নশীল কভারেজ
বিপিএলের সময় ক্রিকেট ডেস্ক সবচেয়ে ব্যস্ত থাকে। প্রতিটি ম্যাচের আগে দল, মাঠ আর আবহাওয়ার খবর যাচাই করে তবেই প্রকাশ হয়। আন্তর্জাতিক সিরিজেও একই নিয়ম চলে।
MCW সাইটের ম্যাচ পাতায় প্রতিটি সংখ্যার পেছনে অন্তত দুটি উৎস থাকে। দুই উৎসে অমিল হলে সংখ্যাটি প্রকাশ হয় না। এই নিয়ম সামিয়ার নিজের তৈরি।

মার্কেট ও সেটেলমেন্টের পরিষ্কার ব্যাখ্যা
ম্যাচ উইনার, টপ ব্যাটার, মোট রান, এমন প্রতিটি ক্রিকেট মার্কেটের জন্য আলাদা বাংলা ব্যাখ্যা লেখা হয়েছে। প্রতিটি লেখায় একটি বাস্তব স্কোরশিটের উদাহরণ থাকে।
সেটেলমেন্ট নিয়ে আলাদা গাইডও আছে। ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে, ডিএলএস পদ্ধতিতে লক্ষ্য বদলালে বা ওভার কমলে কী ঘটে, সেখানে ধাপে ধাপে বলা আছে। CEO Samia Nawrin প্রতিটি গাইড প্রকাশের আগে নিজে খুঁটিয়ে পড়েন।
নিরাপদ খেলা ও দ্রুত সাপোর্ট
সাইটে নিরাপদ খেলার একটি নির্দেশিকা রয়েছে। সময় ও খরচের সীমা, বিরতি আর সাহায্যের পথ সেখানে সরল ভাষায় লেখা।
তাঁর নির্দেশে প্রতিটি মার্কেট গাইডের শেষে ওই নির্দেশিকার লিংক যুক্ত থাকে। সাপোর্টের উত্তরও এখন আগের চেয়ে দ্রুত আসে, কারণ সাধারণ প্রশ্নগুলোর জবাব আগে থেকেই গোছানো।

CEO Samia Nawrin-এর আগামীর অঙ্গীকার
সামনের পরিকল্পনা তিনি একটি স্কোরবুকের শেষ পাতায় লিখে রেখেছেন। মাস শেষে টিম মিলে সেই তালিকা মিলিয়ে দেখে।
তালিকাটি ছোট। প্রতিটি কাজের ডান দিকে রঙিন পেন্সিলে টিক দেওয়ার ঘর আছে।
খোলামেলা নিয়ম, নতুন গাইড, দেশীয় লেনদেন
স্বচ্ছতা তালিকার প্রথমে। খেলার আইনের প্রতিটি পাতায় সর্বশেষ সংশোধনের দিন লেখা থাকবে। কোনো শর্ত পাল্টালে আগের ও বর্তমান রূপ একসঙ্গে প্রকাশ হবে।
দেশীয় লেনদেন মাধ্যম নিয়ে আরও সহজ নির্দেশনা তৈরি হচ্ছে। নারী ক্রিকেট আর ঘরোয়া লিগের কভারেজও বাড়বে। CEO Samia Nawrin চান মাঠের তথ্য আর পাতার তথ্য সবসময় এক থাকুক।

বয়সসীমা ও দেশের আইন
সাইটটি শুধু ১৮ বা তদূর্ধ্ব বয়সের প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য। নিজ নিজ অঞ্চলের বিদ্যমান আইন মানা প্রত্যেক ব্যবহারকারীর দায়িত্ব।
কোনো খেলাকে উপার্জনের পথ বলে তুলে ধরা হয় না। জয়ের নিশ্চয়তার কথাও কোথাও লেখা হয় না। “সংখ্যা সম্ভাবনা বোঝায়, ফল ঠিক করে না,” এটাই তাঁর সাফ কথা।

এক নজরে CEO Samia Nawrin
তিনি রংপুরের মেয়ে, স্ট্যাটিসটিক্সের ছাত্রী, জেলা লিগের সাবেক স্কোরার। আজ তিনি একটি বাংলাদেশি ক্রিকেটকেন্দ্রিক সাইটের প্রধান।
তাঁর কাজের ধরন বদলায়নি। খাতা, পেন্সিল আর যাচাই, এই তিনটিই তাঁর হাতিয়ার।
টিমের চোখে তিনি
টিমের কাছে তিনি কড়া কিন্তু ন্যায্য। ভুল হলে তিনি রাগ করেন না, উৎস খোঁজেন। সংশোধনের পর সবাইকে নিয়ে ছোট একটি বৈঠক করেন।
নতুন সহকর্মীরা প্রথম সপ্তাহে একটি স্কোরবুক উপহার পান। প্রথম পাতায় তাঁর হাতে লেখা থাকে একটিই বাক্য, “আগে যাচাই, তারপর প্রকাশ।”

আমাদের শেষ কথা
পাঠকের পাঠানো প্রশ্ন আর সংশোধন তাঁর কাছে মূল্যবান। অনেক নতুন গাইডের শুরু হয়েছে এমন একটি বার্তা থেকে। CEO Samia Nawrin সেই বার্তাগুলো এখনো খাতায় টুকে রাখেন।
MCW সাইটের ক্রিকেট পাতা, মার্কেট গাইড আর নিরাপদ খেলার নির্দেশিকায় তাঁর সেই যত্নের ছাপ আছে। আমাদের টিম তাঁর দেখানো পথেই নির্ভুল তথ্য আর পরিষ্কার নিয়মের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

